“হযরত জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী ট্রাস্টের সেবামূলক কাজ অন্যদের প্রেরণার উৎস”

(ছবি) চিকিৎসা সেবা মানুষের মৌলিক অধিকার গুলোর অন্যতম। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী উদ্যোগে শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ট্রাস্ট কর্তৃক পরিচালিত দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্প নিঃসন্দেহাতীত ভাবে এ মহৎ কাজটি করে যাচ্ছে। মানবতাবাদী এই ট্রাস্টের মাননীয় ম্যানেজিং ট্রাস্টি হযরতুলহাজ সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (মঃ)-র দূরদর্শী চিন্তা-চেতনার সঠিক বাস্তবায়ন; মূলত কর্মপদ্ধতি সামাজিক সাম্যতা ও দারিদ্র্য বিমোচনে তাঁর দক্ষ নেতৃত্ব অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। দুস্থ প্রান্তিক অভাবী চাষী, দায়গ্রস্থ কন্যার বিবাহে সহায়তা, কুটির শিল্প, ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থী, অন্ধদের পাশে দাঁড়ানো, গৃহনির্মাণে সহায়তা, দৃষ্টি প্রতিবন্ধিদের শিক্ষা সামগ্রী প্রদান, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্বাবলম্বি করা ইত্যাদি সমাজ সেবামূলক কাজ অন্যদের জন্য প্রেরণার উৎস।
আজ ১৮ আগষ্ট ২০২৩ শুক্রবার, চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলাধীন ফটিকছড়ি পৌরসভা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ট্রাস্ট পরিচালিত দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্প পরিচালনা পর্ষদের ব্যবস্থাপনায় মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ, বাংলাবাজার শাখার তত্ত্বাবধানে সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের ছেলে সন্তানদের জন্য পরিচালিত খতনা অনুষ্ঠানে ১নং ওয়ার্ড ফটিকছড়ি পৌরসভার কাউন্সিলর মোাহাম্মদ রফিকুল আলম প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ এমদাদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ডাক্তার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রদীপ কুমার রায়, সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ ফোরকান, বাংলাবাজার বণিক সমিতির সভাপতি রফিকুল আলম সওদাগর, বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোহাম্মদ নুরুল আবচার, পল্লী চিকিৎসক ভুবন কান্তি শীল, কমিটির উপদেষ্টা আমান উল্লাহ চৌধুরী, দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্প পরিচালনা পর্ষদের প্রচার সম্পাদক আহসান উল্লাহ চৌধুরী বিভন, দাতব্য চিকিৎসালয় তত্ত্বাবধায়ক হাজী মোহাম্মদ আলী মাসুদ ও মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ,বাংলাবাজার শাখার সকল সদস্যবৃন্দ।

আরো দেখুন

One Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ডিজিটাল যাকাত বাক্স

আর্তমানবতার সেবায় আপনার যাকাত প্রদান করতে বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায়সহ যে কোনো ব্যাংকিং অ্যাপ থেকে স্ক্যান করুন।